"আব্বু বেঁচে থাকলে অনেক বেশি খুশি হতেন"

Advertisement

"আব্বু বেঁচে থাকলে অনেক বেশি খুশি হতেন"


তারেক মাহমুদ রনি::

সদ্য প্রয়াত উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মুহাম্মদ আলীর ছোট ছেলে তারেক মাহমুদ রনির অশ্রু বিগলিত আবেগঘন বাবার স্মৃতিচারণ। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি হিসেবে আব্বুর স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র একটাই ছিল,যা যতন করে রেখেছিলেন,এরপর কখনো নতুনভাবে তালিকাভুক্ত হবার জন্য চেষ্টা করেন নি,কোন সুযোগ সুবিধা নেন নি। সর্বশেষ আমাদের অনুরোধে তালিকাভুক্ত হবার জন্য আবেদন করেন। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর সরকারী গেজেট ভুক্ত হলেন। হয়তো আব্বু বেঁচে থাকলে অনেক বেশি খুশি হতেন। আব্বু মত লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা আছেন যারা তালিকাভুক্ত হবার জন্য নই, দেশ স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। আব্বু বলতেন যদি দেশ মাতৃকার জন্য লড়াইয়ের ময়দানে ছিলাম তখন কি যশখ্যাতি, ভাতার চিন্তায়তো লড়াইয়ের ময়দানে অবতারণ হয়নি। এদেশের মাবোনকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্তির লক্ষ্যে জাতির জনক সর্ব কলের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জীবনযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। দেশ জতির জন্য যা করেছি তা আল্লাহ দেখেছে। মুক্তিযোদ্ধার সনদ দিয়ে কলকাঠির ফিরিস্তি আমার অন্তঃজ, অনুজ প্রতিমদের সংলাপে আছড় লাগেনি।

Post a Comment

0 Comments