চকরিয়া চিংড়ী ঘের এলাকা থেকে মহেশ চুরির হিড়িক

Advertisement

চকরিয়া চিংড়ী ঘের এলাকা থেকে মহেশ চুরির হিড়িক


এম.আলী হোসেন, চকরিয়া:

কক্সবাজারের চকরিয়া চিংড়ি  খ্যাত রামপুর ও চরণদ্বীপ মৌজার চিংড়ি ঘের এলাকায় চারণভূমিতে বিভিন্ন ব্যক্তির মালিকানাধীন মহিষ গরু ছাগল উন্মুক্ত বিচরণ করে ।
গরু, ছাগল , মহিষের মালিক থাকা না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে
একটি চুরের দল প্রতিনিয়ত চুরি করে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বিভিন্ন স্থানে পাচার করে যাচ্ছেন বলেন এলাকাবাসীর দাবি। ইতিমধ্যে দু-তিন বারের বেশি মহেষ চুরির ঘটনা ঘটেছে, যেন মহে
গত ২৪ নভেম্বর রাত আনুমানিক  টার দিকে রামপুর মৌজার ৪ নং পোল্ডার ১০ একর চিংড়ী ঘের এলাকা চারণভূমি ফাঁকা মাঠ থেকে মোঃ রাসেলের মালিকানাধীন নয়টি মহেশ চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল ।
চুরি হয়ে যাওয়া মহেষ গুলো
 সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ২৮ নভেম্বর ভেওলা মানিকচর ১ নং ওয়ার্ড খঞ্জনীঘোনা
এলাকার বশির আহমেদের পত্র মোঃ রাসেল বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জানিয়েছেন ।

চিরিংগা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন এক ব্যক্তি জানিয়েছেন ইতিপূর্বে একটি চোরের দল পালাকাটা রবার্ট গ্রাম এলাকায় মাতামুহুরী নদী পার করে  এক জাক মহিষ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল এসময়  মালিকপক্ষ বাধা দিলে চুরের দল ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে উত্তর দিকে পালিয়ে যায় ।

 মহেষ অপর এক মালিক চিংগা ইউনিয়নের সন্দীপ এলাকার মৃত হাজী নজির আহমদের পুত্র আব্দুল খালেক জানিয়েছেন ইতিপূর্বে চিংড়ী ঘের এলাকা থেকে তাদের ১৪  টি মহিষ চুরি হয়ে যায়, বিভিন্ন স্থানে কবর কবর নিয়েও পাওয়া যায়নি , আনোয়ারা থানা পুলিশ কর্তৃক ৫টি চুরাই মহেষ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে আনোয়ারা তা থেকে তিনটিসহ ৪টি মহিষ উদ্ধার হয়েছে।

একইভাবে মোঃ রাসেলের নয়টি মহেষের মধ্যে দুইটি মহেষ আনোয়ারা থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী মোঃ রাসেল ।

Post a Comment

0 Comments