নিজস্ব সংবাদদাতা:
ওসি প্রদীপ সহ ২৬ পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের দায়েরকৃত মামলার প্রতিবেদন দিতে ৩০ দিন সময়ের আবেদন করছেন পিবিআই। সোমবার ৭ ডিসেম্বর ককসবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট জেরিন সুলতানার আদালতে সময়ের আবেদন করেন উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইর ইন্সপেক্টর কায়সার হামিদ। আলোচিত সাংবাদিক ফরিদুল গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং তারিখ এই মামলাটি দায়ের করছিলেন। যার নং সিআর ৬৬৬/২০২০ সদর। এর আগে গত ২৪ জুন ২০১৯ সালে" টাকা না দিলে ক্রসফায়ার দেন টেকনাফের ওসি" সহ মাদক নির্মুলের নামে সেই সময়কার ককসবাজার পুলিশের নিজেদের মাদক ব্যাবসার কয়েকটি রিপোর্ট করে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় আটক ওসি প্রদীপ গং এর রোষানেেল পড়েন সাংবাদিক ফরিদুল। ফলে ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে টেকনাফ থানার ওসি থাকাকালে প্রদীপ কুমার দাশ সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান কে রাতের অন্ধকারে ঢাকা মিরপুরের বাসা থেকে তুলে এনে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে অস্ত্র মাদক চাঁদাবাজি সহ ৬ মিথ্যা মামলায় চালান দেন। যা বিশ্ব বিবেকে নাড়া দেন। এসব মামলায় সাংবাদিক ফরিদুল টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর চলতি বছর ২৭ আগষ্ট বিকেলে জামিনে মুক্তি পান। এর পর তিনি হেফাজতে মৃত্যু নিবারন আইন ও ক্ষমতার অপ- ব্যাবহার করে অপহরন এবং শারীরিক মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ২৬ পুলিশ সদস্য এবং ৪ জন মাদক ব্যাবসায়ী সহ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। দিবালোকের মত স্পষ্ট উক্ত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তামান্না ফারাহ। ৭ ডিসেম্বর পরবর্তী ধার্য্য তারিখ এই মামলার প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও আদালতে ৩০ দিন সময় চাওয়ার কারনে মামলার বাদী সহ কর্তব্যরত সাংবাদিকরা এই মামলার ন্যায় বিচার নিয়ে শংকা প্রকাশ করে সরকারের উপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বাদীর প্রধান আইনজীবী এডঃ মোঃ আবদুল মন্নান জানিয়েছেন, যে কোন মামলার তদন্তে দীর্ঘ সূত্রিতা হলে ন্যায় বিচার বাধা গ্রস্থ হয়। আশা করি তদন্ত কর্মকর্তা পরবর্তী ধার্য্য তারিখের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।


0 Comments